একপাশে ঝলমলে আলোয় রাতের আঁধার ঘুচছে, আর ঠিক তার পাশেই এক আঁধারপুরী! কোটি টাকার আলোর প্রকল্পের বাস্তব রূপ দেখতে গিয়ে সিটি কর্পোরেশনের এমন চিত্রই ফুটে উঠেছে সিলেটে। সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) ‘স্মার্ট’ ও ‘ক্লিন’ সিটি গড়ার মুখরোচক বুলি যখন প্রশাসনের তালিকায় উঁচুতে, তখন ৪১ ও ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের ভাগ্যে জুটেছে কেবল একরাশ হতাশা আর অন্ধকার।
গত ২৪ মে ২০২৬ইং রাতে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী চার-চারটি ওয়ার্ডে (২৬, ২৭, ৪০ ও ৪২) আধুনিক প্রযুক্তির জ্বালানি সাশ্রয়ী এলইডি আলোকসজ্জা প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। সিসিক কর্তৃপক্ষের চোখধাঁধানো এই প্রকল্পে কর্মকর্তাদের শত প্রতিশ্রুতি শোনা গেলেও অদৃশ্য কারণে ৪১ ও ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের মূল সড়কের ডিভাইডার সম্পূর্ণ অন্ধকারে রয়েছে এখনো। উদ্বোধনী বক্তব্যে সিসিক প্রশাসকের বক্তব্যে ৪১ ও ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের বিষয়ে ছিল নীরবতা। ‘লোকাল গভর্নমেন্ট কোভিড-১৯ রেসপন্স অ্যান্ড রিকভারি প্রজেক্ট’-এর নামে কোটি টাকা খরচে পাশের ওয়ার্ডগুলো আলোয় ভাসলেও ৪১ ও ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের মূল সড়ক ডিভাইডারে শুধু লাইটের খুঁটিই শোভা পাচ্ছে জ্বলছে না কোনো আলো।
সিসিকের এই অপরিকল্পিত পদক্ষেপে ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের প্রশ্ন একই প্রকল্পের আওতায় পাশাপাশি চার ওয়ার্ড আলো পেলেও ৪১ ও ৪২ নম্বর ওয়ার্ড কেন সৎমায়ের সন্তানের মতো অবহেলিত? এই এক ওয়ার্ডের সড়কবাতি না জ্বলা পুরো সিসিকের কাজের দক্ষতা ও তদারকির দৈন্যদশাকেই খোলাখুলি প্রকাশ করে দেয়। এমন হযবরল কাণ্ডে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ছড়াচ্ছে। তাদের এখন একটাই দাবি উদ্বোধনের আড়ালে ৪১ ও ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের ওপর চলা বৈষম্য বন্ধ করে দ্রুত আলো জ্বালানো হোক।
সিটি/লিআ/স্টারি
সংবাদ প্রকাশক
তার প্রকাশিত সর্বশেষ সংবাদ
চায়ের রাজ্যSeptember 20, 2026সিলেটে দুই দিনে ৯ ছাত্রলীগ নেতা-কর্মী আটক
চায়ের রাজ্যSeptember 19, 2026এক মাস পর খুলল শাহজালাল (র.) মাজারের দানবাক্স
চায়ের রাজ্যSeptember 15, 2026গণতন্ত্র রক্ষাই এখন প্রধান কাজ: সিলেটে রাষ্ট্রপতি
চায়ের রাজ্যSeptember 15, 2026শাহজালালের মাজারে রাষ্ট্রপতি, দেশ ও জাতির কল্যাণে মোনাজাত
















