সিলেট সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ঐতিহ্যবাহী ভবনগুলো ইউনেস্কোর ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ টেন্টেটিভ লিস্টে’ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। বাংলাদেশের খ্যাতিমান স্থপতি মাজহারুল ইসলামের স্থাপত্যকর্মের অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির ভবনগুলো এ তালিকায় স্থান পেয়েছে।
১৯৬৪ সালে নির্মিত সিলেট সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ভবনগুলো ‘The Architectural Works of Muzharul Islam: an Outstanding Contribution to the Modern Movement in South Asia’ শিরোনামে ইউনেস্কোর টেন্টেটিভ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
মাজহারুল ইসলাম বাংলাদেশের আধুনিক স্থাপত্যচর্চার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থপতি। তাঁর স্থাপত্যকর্মে আধুনিক স্থাপত্যের বৈশিষ্ট্য ও দক্ষিণ এশিয়ার স্থানীয় পরিবেশ-পরিস্থিতির সমন্বয় দেখা যায়। সিলেট সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ভবনও তাঁর স্থাপত্যকর্মের উল্লেখযোগ্য অংশ হিসেবে বিবেচিত।
তবে টেন্টেটিভ তালিকায় অন্তর্ভুক্তি কোনো স্থাপনাকে এখনই ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে চূড়ান্ত স্বীকৃতি দেয় না। বরং এটি ভবিষ্যতে কোনো স্থাপনা বা স্থাপত্যকর্মকে ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ লিস্টে’ অন্তর্ভুক্তির জন্য বিবেচিত হওয়ার প্রাথমিক ধাপ।
ইউনেস্কোর টেন্টেটিভ তালিকায় স্থান পাওয়ার মধ্য দিয়ে সিলেট সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ঐতিহ্যবাহী ভবনগুলোর স্থাপত্য ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও দৃশ্যমান হলো।
সিটি/এমএসএসএস